Header Ads

Header ADS

ঢাবি পুকুরে তাবিজসহ মাছ উদ্ধার

হলের পুকুরে আজ এক ছোট ভাই একটি শোল মাছ ধরে।মছটি খুব দূর্বল ছিল এবং পুকুরে ভাসছিল।ধরার খুব আনন্দ চিত্তে আমি ও মাহদী হাসান শামীম রান্নার জন্য উদ্যত হই।মাছটি কাটার সময় বঁাধে বিপত্তি।

মাছটি কাটার সময় এর ভিতরে একটি আদিম যুগের সংস্কৃত ভাষার একটি লিপি খুজে পাই।খুব সাবধানে এটি পাকস্থলী থেকে লিপিটি বাইরে আনি। খুলতেই খুব সৌন্দর্য মন্ডিত একটি নকশা দেখতে পাই।সম্পূর্ন উন্মুক্ত দুই পাশে দুজন ছেলে ও মেয়ের নাম পাওয়া যায় যেটি আধুনিক বাংলায় লেখা।

আধুনিক যুগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উন্নত বিদ্যাপীঠ, যেটি মুক্তবুদ্ধির চর্চার একটি উন্নত চারণক্ষেত্র, সেখানেও যে আদিম সমাজ ব্যবস্থার প্রথাগত ঐতিহ্য ধারণ করা মানুষ আছে সেটি একটি বিস্ময়। এখানে পড়াশুনার ও নানান সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি
তাবিজ কবজ চর্চাও অব্যাহত রেখেছে সেটি প্রাচীন ঐতিহ্য মনে ধারণ ও পোষণ করার পরিচয় বহন করে।আমরা ওই সকল ভাইদের সাধুবাদ জানাই কালযাদুর মত বিলুপ্ত প্রায় প্রথা আঁকড়ে ধরে বঁাচিয়ে রাখার জন্য।😁😁

আমরা উৎছাসিত, আমরা পুলকিত, আমরা আনন্দিত
এওরকম একটি  ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে পেরে।

এওখন রান্না-বান্না চলছে। খাওয়ার পর মজনু ভাইটির জন্য মোনাজাত হবে।😉

Blogger দ্বারা পরিচালিত.